জেনে নিন গাইবান্ধা জেলা নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

নিজস্ব প্রতিনিধিনিজস্ব প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৯:৩৬ AM, ০৫ মে ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার- বৌদ্ধ, হিন্দু, মোগল, পাঠান আমলসহ ইংরেজ শাসনামলের স্মৃতিবিজড়িত জেলা গাইবান্ধা। এ অঞ্চলে বিভিন্ন শাসনামলে অনেক সংগ্রাম-বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলার মূল ভূখণ্ড ছিল নদীর তলদেশে। কালক্রমে তা নদীবাহিত পলিতে ভরাট হয়। এরপর একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে নদী তলদেশের উত্থান ঘটে ও স্থলভূমিতে পরিণত হয়। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীবাহিত পলি মাটি দিয়েই গড়ে উঠেছে গাইবান্ধা।

গাইবান্ধা নামকরণ প্রসঙ্গে জনশ্রুতি আছে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মৎস্য দেশের রাজা বিরাটের রাজধানী ছিল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায়। বিরাট রাজার গো-ধন ছিল অঢেল। তার গাভীর সংখ্যা ছিল ষাট হাজার। মাঝে মধ্যে ডাকাতরা এসে বিরাট রাজার গাভী লুট করে নিয়ে যেত।

এ কারণে বিরাট রাজা সুরক্ষা আর গাভীর খাদ্য ও পানির সংস্থান নিশ্চিত করতে নদীতীরবর্তী একটি বিশাল পতিত প্রান্তরে গো-শালা স্থাপন করেন। সেখানে গাভীগুলোকে বেঁধে রাখা হতো। প্রচলিত আছে, এই গাভী বেঁধে রাখার স্থান থেকে এই অঞ্চলের কথ্য ভাষা অনুযায়ী জেলার নামকরণ হয়েছে ‘গাইবাঁধা’। কালক্রমে তা গাইবান্ধা নামে পরিচিতি পায়।

গাইবান্ধা জেলায় রয়েছে সাতটি উপজেলা যথা- গাইবান্ধা সদর, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা।

গাইবান্ধা জেলার ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে রাজাবিরাট প্রসাদ, নলডাঙার জমিদার বাড়ি, বামনডাঙার জমিদার বাড়ি, বর্ধনকুঠি, মীরের বাগানের ঐতিহাসিক শাহ সুলতান গাজীর মসজিদ, ভরতখালী কাষ্ঠ মন্দির (কালি মন্দির), মহিমাগঞ্জ চিনিকল, বিজয়স্তম্ভ, পৌর পার্ক, ফুলছড়ি ঘাট, সাঘাটা ঘাট।

সুত্র-গাইবান্ধা জেলা ফেসবুক পেজ

আপনার মতামত লিখুন :